1. ajkerfaridpur2020@gmail.com : Monirul Islam Titu : Monirul Islam Titu
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
  3. titunews@gmail.com : Monirul Islam Titu : Monirul Islam Titu
ফরিদপুর পলিটেকনিকের সুবর্ন জয়ন্তীকে কেন্দ্র করে মুখোমুখি দুই গ্রæপ
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ বোর্ড :
আজকের ফরিদপুর নিউজ পোর্টালে আপনাদের স্বাগতম । করোনার এই মহামারীকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। সচেতনে সুস্থ থাকুন।

ফরিদপুর পলিটেকনিকের সুবর্ন জয়ন্তীকে কেন্দ্র করে মুখোমুখি দুই গ্রæপ

  • Update Time : শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০২২
  • ২৩৪ জন পঠিত
ফরিদপুর পলিটেকনিকের সুবর্ন জয়ন্তীকে কেন্দ্র করে মুখোমুখি দুই গ্রæপ
ফরিদপুর পলিটেকনিকের সুবর্ন জয়ন্তীকে কেন্দ্র করে মুখোমুখি দুই গ্রæপ

স্টাফ রিপোর্টার : ফরিদপুরের সুনামধন্য কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারী ফরিদপুর পলিটেকনিক ইন্সিটিউটের ৫০ বছর পূর্তী উপলক্ষ্যে সুবর্ন জয়ন্তী উৎসব আয়োজনের কথা ছিল ফপই এলোমনাই এসোসিয়েশনের। কিন্তু সেই সূবর্ন জয়ন্তীর অনুষ্টানকে কেন্দ্র করে এসোসিয়েশনের বিদ্দমান দুইটি গ্রæপ মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে। আগামী ১৪ই অক্টোবর একই সময়ে ক্যাম্পাসে সুবর্ন জয়ন্তী অনুষ্ঠান করার ঘোষনা দিয়েছে দুই পক্ষ। দুই পক্ষের মধ্যে বিশৃঙ্খলা, মারামারি, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এসোসিয়েশনের সাধারণ সদস্যরা।

জানা গেছে, ফরিদপুর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এলামনাই এসোসিয়েশন দুভাগে বিভক্ত। এর এক পক্ষের সভাপতি প্রকৌশলী নির্মল কুমার সিকদার ও সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী একে আজাদ। অপর পক্ষের সভাপতি প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম ও সম্পাদক প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম। এই দুই গ্রæপ একই দিনে একই সময়ে ফপই ক্যাম্পাসে সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছে। এসোসিয়েশনের সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সাল থেকে নির্মল-আজাদ গ্রæপ ফরিদপুর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এলামনাই এসোসিয়েশন এর ব্যানারে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

এর মধ্যে ছিল প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক এলামনাইদের নিয়ে মিলন মেলা, ইফতার মাহফিল ও বিভিন্ন ধরনের সামাজিক কার্যক্রম। করোনাকালীন সময়ে ব্যাপকভাবে ত্রান কার্যক্রমও চালায় সংগঠনটি। কিন্তু গত রমজান মাসে হঠাৎ করে এসোসিয়েশনের একটি গ্রæপ সিরাজকে সভাপতি ও নজরুলকে সম্পাদক করে নতুন কমিটি গঠন করে কার্যক্রম চালাতে থাকে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এসোসিয়েশের একাধীক সাধারণ সদস্যরা জানান, দুই পক্ষই অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, কেউ কাউকে ছাড় দিচ্ছে না। পরিবেশটা উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। এমতাবস্থায় দুই পক্ষের মাঝে সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন সাধারণ সদস্যরা।

তারা জানান, এটি আমাদের প্রাণের সংগঠন, ক্যাম্পাসটাও তাই। এত বছর পরে এসে সবাই একসাথে হবো, আনন্দ করবো, পুরানো স্মৃতিচারণ করবো, সেই আনন্দের জায়গাটা যদি শঙ্কায় পূর্ন হয় তাহলে এমন অনুষ্ঠান আয়োজনের দরকারটাকি। সাধারণ এই সদস্যরা প্রতিবেদককে আরো জানান, এটা কোন রাজনৈতিক বা আর্থিক সংগঠন না, তাহলে এইখানে কেন ২/৩ টা কমিটি/গ্রæপ থাকবে। সবারই পদ পদবী লাগবে কেন? ভ্রাতৃত্ববোধের জায়গা থেকে সংগঠনটি করা সেটা আর এখন নেই।

এই বিষয়ে এক পক্ষের সাধারণ সম্পাদক একে আজাদ জানান, আমাদের সংগঠনের কার্যক্রম শুরু ২০১৭ সালে। ২০১৮ সাল থেকে আমরা এই সুবর্ন জয়ন্তী অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। ২০২০ সালে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু সেসময় ফরিদপুরের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারনে আমরা সেসময় স্থগিত করি। এখন সবার সম্মতিতে আগামী ১৪ অক্টোবর এই অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষনা দিয়েছি। সেই অনুযায়ী, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, ফরিদপুর পলিটেকনিক ইন্সিটিউটে আবেদন জমা দিয়েছি।

কিন্তু এই অনষ্ঠানকে বানচাল করতে বিরোধী একটি পক্ষ উঠে পরে লেগেছে। বিভিন্ন ধরনের উস্কানি মূলক বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়াচ্ছে যা সাধারণ এলোমনাই সদস্যদের মনে শঙ্কা তৈরী করছে। এসময় তিনি যোগ করেন, আমি এলোমনাই এসোসিয়েশনের সেক্রেটারীর দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে পিছিয়ে পরা, বেকার হয়ে যাওয়া প্রকৌশলীরজন্য চাকরী ও অনুদানের ব্যবস্থা করেছি। ছেলেমেয়েদের জন্য শিক্ষা বৃত্তি চালু করেছি। প্রতিটি জাতীয় দিবস পালনসহ নিয়মিত মিলন মেলার আয়োজন করি, রমযানের ইফতার মাহফিলের আয়োজন করি। তিনি বলেন, সর্বশেষ মিলন মেলাতেও সহ¯্রাধীক সদস্য অংশ নিয়েছে। ১৪ তারিখের অনুষ্ঠানে দুই সহ¯্রাধীক সদস্যের অংশ গ্রহনের আশা করছি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই পলিটেকনিক থেকে পাশ করে বের হওয়া সকলেই এই এলোমনাই এসোসিয়েশনের সদস্য, সেই হিসেবে আমাদের সদস্য সংখ্য ২২ হাজারের বেশী, কিন্তু সকলেই তো আর অংশ নেন না, কাগজে-কলমে সদস্য সংখ্যা ৫ হাজারের মত। এই বিষয়ে অপর পক্ষের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী কাজী নজরুল ইসলাম বলেন, আমাদের রেজ্যুলেশন করে সিদ্ধান্ত নেয়া আরো ২ মাস আগে। এখন শুনছি কয়েকদিন আগে কয়েকজন গিয়ে নতুন করে আবেদন দিয়েছে। দুষ্টু একটি চক্র আমাদের অনুষ্ঠানটিকে বানচাল করার চেষ্টা করছে। আমরা আমাদের আয়োজনের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছি।

এই বিষয়ে ফরিদপুর পলিটেকনিক ইন্সটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মো. আক্কাস আলী শেখ জানান, দুই পক্ষই আমার কাছে ভেন্যু চেয়ে আবেদন দিয়েছে, আমি তাদের বলেছি, আপনারা দুই পক্ষ সমঝোতা হয়ে আসুন অথবা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে আসুন। নইলে আমি প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়ে লিখবো, সেক্ষেত্রে প্রশাসন যা বলবে তাই করতে হবে। কেননা সুবর্ন জয়ন্তীর আয়োজন, এটা যেমন পলিটেকনিকের ভাবমূর্তি একই সাথে ফরিদপুরেরও ভাবমূর্তির বিষয় রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© পদ্মা বাংলা মিডিয়া হাউজের একটি প্রতিষ্ঠান
Design & Developed By JM IT SOLUTION