1. ajkerfaridpur2020@gmail.com : Monirul Islam Titu : Monirul Islam Titu
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
  3. titunews@gmail.com : Monirul Islam Titu : Monirul Islam Titu
১০৬ শতাংশ অধিক মূল্যে ইজারা নিয়েও খাজনা আদায় করতে পারছে না ঠিকাদার! - আজকের ফরিদপুর
শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২২, ১১:৪২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ বোর্ড :
আজকের ফরিদপুর নিউজ পোর্টালে আপনাদের স্বাগতম । করোনার এই মহামারীকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। সচেতনে সুস্থ থাকুন।
শিরোনাম :
নগরকান্দায় বউ ভাগিয়ে নেওয়ায় তুমুল সংঘর্ষ, আহত ২০ দূর্গম চরে খুলে গেল স্বাস্থ্য সেবার দ্বার মধুখালীতে গাছ থেকে পরে যুবকের মৃত্যু সালথায় পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক কর্মকর্তার উপর হামলা ফরিদপুর পল্লী বিদ্যুত সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা ভার্চুয়ালী অনুষ্ঠিত প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে তিন চোর ধরলেন ডিবি পুলিশ দীর্ঘ ৮ বছর ধরেও চালু হয়নি গোপালপুর- চরমইনুট ঘাটে ফেরি চলাচল! ৫৬ ভোট ও ১০১ ভোট পেয়ে জামানত হারালেন নৌকার দুই প্রার্থী! সালথায় পচনশীল ঔষধ দিয়ে মুক্তিযোদ্ধার পেয়াজের চারা নষ্ট করে দিয়েছে দূর্বৃত্তরা পাঁচ শতাধিক শীতার্তের হাতে কম্বল তুলে দিলেন আওয়ামী তৃণমূল নেতা হেমায়েত কাজী

১০৬ শতাংশ অধিক মূল্যে ইজারা নিয়েও খাজনা আদায় করতে পারছে না ঠিকাদার!

  • Update Time : শুক্রবার, ২৮ মে, ২০২১
  • ৪২৬ জন পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার :
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার রুপাপাত ইউনিয়নের “কাটাগড় হাট” সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে একশ ছয় শতাংশ অধিক মুল্যে ইজারা নিয়েও খাজনা আদায় করতে পারছেন না সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। ওই ঠিকাদারের অভিযোগ, প্রতিদন্দি ও রুপাপাত ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের লোকজন নানাভাবে খাজনা আদায়ে বাঁধার সৃষ্টি করছেন।
ঠিকাদার প্রতিনিধি মো. সোহাগ জানান, গত ১৮ মে নিয়মতান্ত্রিকভাবে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ছয় লাখ ৮২ হাজার টাকায় কাটাগড় হাটের ইজারা পান মো. আকরাম হোসেন। ওই হাটের সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মূূল্য ছিলো ছয় হাজার তিনশ সাত চল্লিশ টাকা। ঠিকাদার প্রতিনিধির অভিযোগ, ইজারা পাওয়ার পর খাজনা তুলতে গেলে রুপাপাত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আজিজার রহমান মোল্লার অনুগত কাটাগড় বাজার মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাবু মিয়া, সোবহান মোল্লা, হাফিজুর রহমান ও আলমসহ কয়েকজন বাঁধা সৃষ্টি করেন। ফলে অদ্যবদি খাজনা তোলা সম্ভব হয়নি। এতে ঠিকাদার পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে দাবী করেন তিনি। ঠিকাদার প্রতিনিধি আরো দাবী করেন, দীর্ঘদিন ওই হাটটি স্থানীয় চেয়ারম্যান কুক্ষিগত করে নাম মাত্র মূল্যে ভোগ করে আসছিলেন, কিন্তু এবছর ন্যায্য মূল্যে মো. আকরাম হোসেন দরপত্র দাখিল করে ইজারা পাওয়ায় ক্ষুব্দ হন তিনি (চেয়ারম্যান)।


অপরদিকে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান বলেন, সপ্তাহের প্রতি শুক্র ও মঙ্গলবার হাট বসা কাটাগড় হাট থেকে অদ্যবদি খাজনা আদায়ের রেওয়াজ না থাকায় এবছর খাজনা আদায় করতে আসায় স্থানীয়রা ক্ষুব্দ, এর সাথে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমি উপজেলা হাট-বাজার ইজারা কমিটির সদস্য হওয়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমাকে সংশ্লিষ্ট ইজারাদারকে ওই হাঁটটি বুঝিয়ে দিতে বললেও স্থানীয়দের বিরোধিতার কারনে সমস্যায় পড়েছি। চেষ্টা করবো আগামী মঙ্গলবার ইজারাদার পক্ষকে হাঁটটি বুঝিয়ে দেয়ার।
এ প্রসঙ্গে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ বলেন, সর্বোচ্চ দরদাতা বিবেচিত হওয়ায় হাটের ইজারার চিঠি মো. আকরাম হোসেনকে দেয়া হয়েছে। মূল্য তালিকা তৈরি করেও তা অনুমোদনের জন্যে জেলা প্রশাসকের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান, ইজারাদারকে খাজনা আদায়ে বাঁধা সৃষ্টি করার সুযোগ নেই, তারপরও যদি কেউ বাঁধা সৃষ্টি করে, তা লিখিতভাবে ইজারাদার পক্ষ জানালে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে। অবিলম্বে এ হাঁট ইজারাদারকে বুঝিয়ে দেয়া হবে বলেও জানান তিনি। #

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© পদ্মা বাংলা মিডিয়া হাউজের একটি প্রতিষ্ঠান
Design & Developed By JM IT SOLUTION