1. ajkerfaridpur2020@gmail.com : Monirul Islam Titu : Monirul Islam Titu
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
  3. titunews@gmail.com : Monirul Islam Titu : Monirul Islam Titu
মধুখালীতে মধুমতী নদীর বুকে চাষাবাদ - আজকের ফরিদপুর
বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ বোর্ড :
আজকের ফরিদপুর নিউজ পোর্টালে আপনাদের স্বাগতম । করোনার এই মহামারীকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। সচেতনে সুস্থ থাকুন।
শিরোনাম :
বোয়ালমারীর বস্তাবন্দি অর্ধ গলিত নারী লাশের পরিচয় মিলেছে ভাঙ্গায় সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকে উপর হামলার অভিযোগ শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে মধুখালীতে আওয়ামীলীগের র‌্যালী ও আলোচনা সভা সদরপুরে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও ক্যাবের পক্ষ থেকে ইউএনও কে শুভেচ্ছা বিনিময় বোয়ালমারীর পাট ক্ষেত খেকে নারী গলিত লাশ উদ্ধার শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন : যা হলো ফরিদপুরে ফরিদপুরে জেলা পুলিশকে সোয়া দুই কোটি টাকার জমি দিলেন জমিদার পরিবার মধুখালীতে নির্মাণাধীন ঘর প্রতিপক্ষের উচ্ছেদ ভাঙ্গায় এমপি নিক্সন চৌধুরীর আশু রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল সদরপুরে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ প্রস্তুতি মূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

মধুখালীতে মধুমতী নদীর বুকে চাষাবাদ

  • Update Time : সোমবার, ১১ এপ্রিল, ২০২২
  • ৭৯ জন পঠিত
মধুখালীতে মধুমতী নদীর বুকে চাষাবাদ

শাহজাহান হেলাল :“ ও নদীরে একটি কথা সুধাই শুধু তোমারে -তোমার নাই চলার শেষ ” সে অবস্থা এখন আর নাই মধুমুত নদীর। ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বুক চিরে বয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী গড়াই ও মধুমতী নদী নাব্যতা হারিয়ে মরে যেতে বসেছে। নদীর পার ভেঙ্গে বালু ও পলি জমে ক্রমশ ভরাট হয়ে যাচ্ছে নদীর তলদেশ। কমে যাচ্ছে পানির প্রবাহ। নদীর বুকে জেগে উঠছে নতুন নতুন চর। স্থানীয় প্রভাবশালীরা এই নদীর চর জবরদখলে নিয়ে করছেন চাষাবাদ। উপজেলার মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া নদী কিছু অংশের নাম গড়াই । বড় একটি অংশের নাম মধুমতি। চন্দনা ও মধুমতী বয়ে চলছে হাত ধরাধরি করে বহুকাল আজ কেবলই স্মৃতি।

চন্দনা মধুমতিতে গিয়ে মিসলেও সেখানেও রয়ছে পানি সংকট। নদীর দু’পাশে এখন সুধু চাষাবাদেই ব্যবহৃত হচ্ছে। অনেক স্থানে নদীর জায়গা ভরাট ও দখল করে তৈরি হয়েছে বাড়িঘর ও দোকান পাট। স্থানীয়রা জানান, এক সময় দুটি নদীতেই পর্যাপ্ত পানি প্রবাহ ছিল। তা দিয়ে চাষাবাদ করার পাশাপাশি নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার করা হতো। কিন্তু নদীর তলদেশে পলি জমে বিস্তীর্র্ণ এলাকাজুড়ে জেগে উঠেছে বিশাল চর। অনেকে আবার নদীর কিছু জায়গা ভরাট করে বসতবাড়ি গড়ে তুলেছেন। নদীর অভয় আশ্রমে এখন আর তেমন মাছ পাওয়া যায় না। মধুমতি ও চন্দনা নদী একসময় ছিল প্রবল খরস্রোতা এবং নদী পাড়ের মানুষের কাছে ছিল মূর্তিমান আতঙ্ক।

কিন্তু বর্তমানে এ দুটি নদী নব্য হারিয়ে ফেলায় বর্ষাকালে এর ভয়াল রূপ আর চোখ পড়ে না। যদিও চন্দনা একবার খনন করার সুবিধার্থে কিছুটা পানি থাকলেও নদীর দুপাশে ফসল চাষ করা হয়। প্রমত্তা গড়াই ও মধুমতী নদীর ঢেউ এখন শুধুই স্মৃতি। উপজেলার পশ্চিম পাশ দিয়ে প্রবাহিত এ নদীপথে শিল্পনগরী খুলনা, বৃহত্তর বরিশাল এবং রাজধানী ঢাকায় খুব সহজেই যাতায়াতের সুযোগ ছিল। একসময় পণ্যবাহী বড় বড় জাহাজ এ নদীপথে দেশের বিভিন্ন নৌবন্দরে নিয়মিত আসা-যাওয়া করত। কিন্তু বর্তমানে হরিনাডাঙ্গা, মিটাইন, নওপাড়া, কামারখালী ঘাট এলাকাতে নদীবক্ষে বিশাল চর পড়ার কারণে একেবারেই নাব্যতা হারিয়ে ফেলেছে।

নাব্যতা কমে যাওয়ায় ক্রমান্বয়ে মরে যাচ্ছে গড়াই-মধুমতী। শুকিয়ে যাচ্ছে নদী ও আশপাশের খালবিল। স্বাভাবিক পানির অভাবে ব্যাহত হচ্ছে সেচকাজ। উপজেলার সীমান্তবর্তী কামারখালী, সালামতপুর, নওপাড়া দিয়ে প্রবাহিত মধুমতি নদীটি এখন পরিণত হয়েছে আবাদি ক্ষেতে। যে নদী একসময় ভেঙেচুরে গ্রাস করেছে রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, মসজিদ-মন্দির ক্ষেত-খামার ও গাছপালা, সেই রাক্ষুসী নদী এখন মানুষের জীবনে এনে দিয়েছে পরিবর্তনের ছোঁয়া।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© পদ্মা বাংলা মিডিয়া হাউজের একটি প্রতিষ্ঠান
Design & Developed By JM IT SOLUTION