1. ajkerfaridpur2020@gmail.com : Monirul Islam Titu : Monirul Islam Titu
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
  3. titunews@gmail.com : Monirul Islam Titu : Monirul Islam Titu
সালথায় পচনশীল ঔষধ দিয়ে মুক্তিযোদ্ধার পেয়াজের চারা নষ্ট করে দিয়েছে দূর্বৃত্তরা - আজকের ফরিদপুর
শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ বোর্ড :
আজকের ফরিদপুর নিউজ পোর্টালে আপনাদের স্বাগতম । করোনার এই মহামারীকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। সচেতনে সুস্থ থাকুন।

সালথায় পচনশীল ঔষধ দিয়ে মুক্তিযোদ্ধার পেয়াজের চারা নষ্ট করে দিয়েছে দূর্বৃত্তরা

  • Update Time : শনিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৫৬২ জন পঠিত
মনির মোল্যা, সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের সালথায় পচনশীল ঔষধ প্রয়োগ করে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার পেঁয়াজের চারা নষ্ট করে দিয়েছে দূর্বৃত্তরা। উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের জোগাড়দিয়া গ্রামে এঘটনা ঘটে। এতে ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবী ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের। শনিবার যোগাড়দিয়া মাঠে সরেজমিনে গিয়া ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। তবে ৫-৭ দিন আগে ঔষধ প্রয়োগ করা হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, মানুষের সাথে মানুষের শত্রুতা থাকতে পারে। কিন্তু ফসলের সাথে এ কেমন শত্রুতা। আমরা এলাকাবাসী এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। যারা এগুলো করেছে আমরা তাদের শাস্তি চাই।
ক্ষতিগ্রস্থ উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মাইনুদ্দিন বলেন, শত্রুতাই করে দুষ্কৃতিকারীরা আমার ৬৩ শতাংশ জমির লাগানো হালি পেঁয়াজ রাতের আধারে পচনশীল ঔষধ দিয়ে নষ্ট করে দিয়েছে। এর আগেও আমার ১৫ কেজি পেঁয়াজের দানার চারা বিষ দিয়ে নষ্ট করে দেয়। এতে আমার প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, সদ্য সমাপ্ত হওয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি নৌকার পক্ষে কাজ করেছি বলেই আমার সাথে শত্রুতাই  করে আমার ক্ষতি করেছে বলে আমি মনে করি। এবিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হবে। যারা এটা করেছে আমি তাদের কঠিন শাস্তি দাবী করি।
সোনাপুর ইউপি চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান বাবু বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মাইনুদ্দিন এর জমি আমি পরিদর্শন করেছি। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবী করি।
উপজেলা কৃষি অফিসার জীবাংশু দাস বলেন, খবর পাওয়া মাত্র আমার লোক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পেঁয়াজের চারায় পচন জাতীয় ঔষধ প্রয়োগ ক‌রেছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। যার জন্য ধীরে ধীরে পেয়া‌ঁজের চারার পচঁন ধরে মারা গেছে। এই জমিতে ফসলের উপযোগি না হওয়া পর্যন্ত কোন ফসল আবাদ করা সম্ভব না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© পদ্মা বাংলা মিডিয়া হাউজের একটি প্রতিষ্ঠান
Design & Developed By JM IT SOLUTION